Adstra Ads

মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২২

Rishi Sunak Net Worth & Wealth: বাইডেন-মোদী বা ব্রিটিশ রাজা নেই আশেপাশেও, ঋষির সম্পত্তির পরিমাণে চোখ উঠবে কপালে



ইতিহাস গড়ে ব্রিটেনের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন ঋষি সুনক। তবে ঋষির পদলেভা ঐতিহাসিক তাৎপর্য ছাড়াও রয়েছে চোখ টেড়িয়ে দেওয়া আরও এক পরিসংখ্যান। তা হল ঋষি সুনকের সম্পদ।
1/6১৯৮০ সালের ১২ জুন ইংল্যান্ডের সাউথহ্যাম্পটনে জন্মগ্রহণ করেন সুনক। তাঁর বাবা ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের জেনারেল প্র্যাক্টিশনার ছিলেন। তাঁর মায়ের নিজস্ব ওষুধের দোকান ছিল। 
2/6ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই ঋষি ও তাঁর স্ত্রী অক্ষতার সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৭৩০ মিলিয়ন পাউন্ড। ব্রিটেনের ২২২তম ধনী দম্পতি তাঁরা। রাজা চার্লসের থেকেও বেশি সম্পত্তি রয়েছে ঋষি ও অক্ষতার।


3/6রাজনীতিতে আসার আগে গোল্ডম্যান শ্যাক্সের সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন ঋষি। এরপর দুটি বিনিয়োগকারী সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতাও হন তিনি। তাঁর সংস্থা ব্রিটেনে ছোট ব্যবসা থেকে শুরু করে ক্যালিফোর্নিয়া সিলিকন ভ্যালি এবং ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি রাজধানী বেঙ্গালুরুতে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করেছে।
4/6হিসেব মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৮ মিলিয়ন ডলারের মালিক। এদিকে রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্পত্তির পরিমাণ ৫৫০ মিলিয়ন পাউন্ড। তাছাড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক, অজি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ ৫ মিলিয়ন ডলারের মালিক, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ মাত্র ৫,৪০,৮১৫ ডলারের মালিক এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ভারতীয় মুদ্রায় ২ কোটি ২৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা। এই সবার থেকে ঋষি অনেক বেশি ধনী।5/6লন্ডনের কেনসিংটনে পাঁচ সয্যার পেন্ট হাউস রয়েছে সুনক দম্পতির। এই পেন্ট হাউজের মূল্য আনুমানিক ৭ মিলিয়ান পাউন্ড। এদিকে লন্ডনের ওল্ড ব্র্যাম্পটন রোডে একটি বাড়ি আছে ঋষির।

ব্রেকিং নিউজ , Ranbir-Alia: বিয়ের পর প্রথম দিওয়ালি, রণবীরের আবদারে বিছানা ছাড়লেন আলিয়া, সারলেন লক্ষ্মীপুজো



Ranbir-Alia: দিওয়ালির দিন বাড়িতে লক্ষ্মীপুজো। বরের আবদারে বিছানা থেকে উঠে রেডি হলেন আলিয়া। দেখুন তারকা দম্পতির মিষ্টি ছবি-
না, বিয়ের পরের প্রথম দিওয়ালিটা শুধু বিছানায় শুয়ে কাটলো না আলিয়ার। স্বামী এবং পরিবারের অনান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোর উৎসবে মাতলেন অভিনেত্রী। জীবনের প্রথম সবকিছুর অনুভূতি খুব স্পেশ্যাল। স্বাভাবিকভাবেই রণবীর-আলিয়ার কাছেও এই বছরের দীপাবলিটা একটু বেশিই খাস। তাই বিছানায় শুয়ে আলিয়া এই বছর দিওয়ালি কাটাবে তা হতে দিলেন না রণবীর। আসলে এদিন সকালে আলিয়া জানিয়েছিলেন বিছানায় শুয়েই নাকি তাঁর আলোর উৎসব কাটবে। তবে কিছুক্ষণ পরই বদলে গেল ছবিটা। সাজুগুজু করে বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় যোগ দিলেন তিনি।
গত এপ্রিলেই গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন দুজনে। দু-মাস যেতে না যেতেই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরও প্রকাশ্যে এনেছিলেন আলিয়া। আপতত কাপুর পরিবারে চলছে নতুন সদস্যের অপেক্ষা। দিওয়ালির সেলিব্রেশনে রণবীর-আলিয়ার সঙ্গে দেখা মিলল নীতু কাপুর ও সোনি রাজদানের। উপস্থিত ছিলেন আলিয়ার দিদি শাহিন ভাটও।
দিওয়ালির দিন বাড়িতে ‘রালিয়া’র বাড়িতে লক্ষ্মীপুজো হল ঘটা করে। সেই পুজোয় একসঙ্গে ধরা দিলেন সকলে। পুজোর ঝলক উঠে নীতুর ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে। আরতির থালা হাতে দেখা মিলল রণবীরের মায়ের। ঘন্টা হাতে বাধ্য ছেলের মতো দাঁড়িয়ে রণবীর, অন্য হাত দিয়ে বউকে আগলে রেখেছেন। স্বামীর দিকে মাথা হেলিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অন্তঃসত্ত্বা অভিনেত্রী।
পুজো শেষে চলল দেদার ফটো সেশন। যার ঝলক উঠে এসেছে ইনস্টাগ্রামে। এদিন সকলেই ধরা দিলেন সাবেকি পোশাকে। এদিন লাল সালোয়ার কামিজে ঝলমল করলেন আলিয়া। তবে খানিক ক্লান্ত দেখাচ্ছিল তাঁকে। কালো পঞ্জাবি আর চুড়িদারের হ্যান্ডসাম রণবীর। কাপুর ও ভাট পরিবারকে একসঙ্গে দিওয়ালি সেলিব্রেট করতে দেখে খুশি ফ্যানেরা।
জুন মাসেই আলিয়া ইনস্টাগ্রামে ঘোষণা করেন, মা হতে চলেছেন তিনি। সূত্রের খবর দক্ষিণ মুম্বইয়ের এইচ এন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতালে সন্তান প্রসব করবেন আলিয়া। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নভেম্বরের শেষে বা ডিসেম্বরের শুরুতে মা হবেন আলিয়া।


Viral Video :রাস্তার পাশে পড়ে রক্তাক্ত নাবালিকা, সাহায্য না করে ভিডিয়ো করতে ব্যস্ত সবাই


এই ভিডিও টি উত্তরপ্রদেশের এই ঘটনার দু’টি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে এক নাবালিকা। তাকে ঘিড়ে দাঁড়িয়ে অনেকেই। তবে কেউই সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে না তাঁকে। বরং নাবালিকার ভিডিয়ো করতে ব্যস্ত সবাই। এমনই এক অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশের কন্নউজ। খবরে বলা হয়েছে, শহরের ডাক বাংলো গেস্ট হাউসের পিছনে ঘটনাটি ঘটে। সেখানেই নাবালিকাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। অভিযোগ করা হয়, সেই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে সেখানে ফেলে দিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনার দু’টি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে যে একটি নাবালিকা মাটিতে পড়ে সাহায্য চাইছে। সেই নাবালিকাকে কেউ সাহায্য না করে তার ভিডিয়ো তুলছে। এদিকে আরও একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যায়, এক পুলিশ আধিকারিক নির্যাতিতা মেয়েটিকে কোলে করে তুলে অটোতে তুলছেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার কুনওয়ার অনুপম সিং সাংবাদিককে বলেন যে মেয়েটির শরীরে একাধিক আঘাত ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশের একটি দল। সেই নাবালিকাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান এক পুলিশ আধিকারিক। পরে মেয়েটিকে জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কানপুরে রেফার করেন চিকিৎসক। এদিকে এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, মেয়েটিকে ধর্ষণের পর ডাক বাংলো গেস্ট হাউসের পিছনে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রাথমিক ভাবে পুলিশ এই দাবি অস্বীকার করেছে।
এদিকে, এসপি অনুপম সিং বলেছেন যে নির্যাতিতার পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। (adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({}); এদিকে ঘটনা প্রসঙ্গে গুরসাহাইগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোজ পাণ্ডে বলেন, ‘পুলিশ মেয়েটির বয়ানের জন্য অপেক্ষা করছে। মেয়েটির বয়ান রেকর্ড না করা পর্যন্ত এই বিষয়ে কিছুই বলা যাবে না।’

সিত্রাংয়ের দাপটে ছিটকে গেল গাড়ি, বাংলাদেশে মৃত্যু পুলিশ ও আসামির




যতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে সিত্রাং বলে পূর্বাভাস ছিল ততটা শক্তি ছিল না ঘূর্ণিঝড়ের। কিন্তু তাতেই ছারখার অবস্থা। বাংলাদেশের ৬ জেলায় অন্তত ৯জনের মৃত্য়ুর খবর মিলেছে। তবে আশার কথা পশ্চিমবঙ্গে অবশ্য় সিত্রাংয়ের প্রভাব সেভাবে পড়েনি।

সিত্রাং আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশে। আর সেই হানায় মৃত্যু হল পুলিশের দুই কনস্টেবল ও এক আসামির। বাংলাদেশের মধুপুর-জামালপুর রাস্তার উপর এই ভয়াবহ ঘটনা। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত দুই কনস্টেবলের নাম নুরুল ইসলাম ও মহম্মদ সোহেল। আসামির নাম লালন। তাদের তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে।
সূত্রের খবর, সোমবার রাতে ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য় ২জন আসামিকে ঢাকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। জামালপুর জেল থেকে তাদের ঢাকাতে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এদিকে দুর্যোগের মধ্যে গাড়িটি রাস্তা ধরে ছুটছিল। কিন্তু পথেই সেই দুর্যোগের মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। সেই সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি চালক। গোলবাড়ি বাসস্ট্যান্ডের কাছে অন্য একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। প্রবল হাওয়ার মধ্যে সেই গাড়িতে গিয়ে ধাক্কা দেয় পুলিশের গাড়িটি।
কিন্তু ততক্ষণে এক কনস্টেবল ও আসামির মৃত্যু হয়েছে। পরে গুরুতর জখম অপর পুলিশ কনস্টেবলেরও মৃত্যু হয়েছে। 

এদিকে যতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে সিত্রাং বলে পূর্বাভাস ছিল ততটা শক্তি ছিল না ঘূর্ণিঝড়ের। কিন্তু তাতেই ছারখার অবস্থা। বাংলাদেশের ৬ জেলায় অন্তত ৯জনের মৃত্য়ুর খবর মিলেছে। তবে আশার কথা পশ্চিমবঙ্গে অবশ্য় সিত্রাংয়ের প্রভাব সেভাবে পড়েনি।

Viral Video - লাঠি হাতে প্রদীপের দোকানে তাণ্ডব চালাল প্রাক্তন IAS অফিসারের মেয়ে ! মুহুরতের মদ্ধে ভাইরাল ভিডিয়ো




দিওয়ালির দিন এবং তার আগে অনেকেই রাস্তায় রাস্তায় পসরা সাজিয়ে বসেন। আলোর উৎসবে ব্যবসা করে নিজের ঘর আলোকিত করার আশায় অনেক কারিগর নিজেদের হাতের তৈরি মাটির প্রদীপ বা অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করেন রাস্তার পাশে। অনেক সময়ই কারও বাড়ির সামনেই বসে সেই দোকান। তা নিয়ে খুব একটা কেউ আপত্তিও জানায় না। দিওয়ালি বলে কথা! সবাই একটু আনন্দ করবে না? তবে নিজের বাড়ির সামনে প্রদীপের দোকান বসুক, চাননি প্রাক্তন আইএএস অফিসারের মেয়ে। আর এই আবহে প্রাক্তন আমলার সেই মেয়ে রাস্তায় লাটি নিয়ে এসে পরপর দোকানে ভাঙচুর চালান। এই কাণ্ডে লাভের আশায় দোকান বসানো ব্যক্তিরা বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। পুলিশ অভিযোগ দায়ের করেছে এই ঘটনায়।
জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের গোমতি নগর এলাকার পত্রকপুরমে ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলা নিজের বাড়ির সামনে প্রদীপের দোকান লাগাতে বারণ করেছিলেন। তবে তাঁর বারণ না শুনে দোকানদাররা সেখানেই দোকান দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সেই মহিলা লাঠি নিয়ে এসে ভাঙচুল চালান সেই দোকানগুলিতে। এতে ক্ষতি হয় দোকানদারদের। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলা পেশায় একজন চিকিৎসক। তিনি প্রাক্তন আইএএস অফিসার শংকর লালের কন্যা।

এদিকে এই ঘটনায় যে দোকানদারদের ক্ষতি হয়েছে, তাঁদের অভিযোগ, প্রতিবছর এখানেই দিওয়ালির আগে দোকান দিয়ে থাকেন তাঁরা। এই আবহে তাঁরা এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে ঘটনার সময় মহিলাকে থামানোর চেষ্টা করেননি স্থানীয় কেউ। ঘটনা প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে এক দোকানদার বলেন, ‘সকালে ম্যাডাম এসে আমাদের দোকান সরিয়ে দিতে বললেন এবং আমাদের জিনিসপত্রে জল ঢেলে দিলেন। পরে তিনি তাণ্ডব চালিয়ে প্রদীপের স্টল ধ্বংস করেন। সব ধ্বংস হয়ে গেল। আমরা তাঁর কাছে কিছু সময় চেয়েছিলাম। আমরা একটি গাড়িতে জিনিসপত্র লোড করে সরে যেতাম। কিন্তু তিনি আমাদের কথা শোনেনি।’


খুলনায় বিএনপির সমাবেশে কর্মীদের ঢল কেমন হল সমাবেশ ?



রিবহন ধর্মঘটের জেরে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা খুলনা শুক্রবার থেকে কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তা সত্ত্বেও জেলা শহরে শনিবার অনুষ্ঠিত বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে 



বহু মানুষের সমাগম হয়।

হঠাৎ করে ডাকা পরিবহন ধর্মঘটে শুক্রবার থেকে সব ধরণের বাস ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকার পর মাঝিদের ধর্মঘটের মাধ্যমে বন্ধ করে দেয়া হয় রূপসা ঘাট ও জেলখানা ঘাটে যাত্রী পারাপার। এ দুটি ঘাট শহরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।

বিএনপি নেতারা বলছেন রিকশা, ইজিবাইক কিংবা পায়ে হেঁটে যে যেভাবে পারছেন খুলনা অভিমুখে আসছেন।

ওই দিন সকাল থেকেই খুলনা শহর পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে সড়কগুলোতে ছিল বিএনপির বহু নেতাকর্মীর ।

দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই সমাবেশে বিএনপি চারটি দাবি তুলে ধরেছে।

সমাবেশকে ঘিরে ছোট দুটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও মোটা দাগে সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলা যায়।

পুলিশের তরফ থেকেও খুব একটা বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেনি।

বিভিন্ন পয়েন্টে উপস্থিত পুলিশের সদস্যদেরকে শুধুমাত্র সমাবেশে আগতদের হাতে লাঠি থাকলে তা নিয়ে নিতে দেখা গেছে।


বিএনপি নেতাদের মুখে মধু অন্তরে বিষ : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি নেতাদের মুখে মধু অন্তরে বিষ। তাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি, কিন্তু চর্চায় লুটপাট আর সুবিধাবাদ। ’ মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি স্বাধীনতার কথা বলে কিন্তু লালন ও পোষণ করে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আর পৃষ্ঠপোষকতা করে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি ভোটাধিকারের কথা বলে অথচ ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন আর সোয়া এককোটি বেশি ভুয়া  ভোটার সৃষ্টি করেছিলো। তাই তাদের মুখে মুখে কথামালার মধু ছড়ালেও অন্তরে বিধ্বংসী বিষবাষ্প।

আওয়ামী লীগ তত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করেছিল, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, হ্যাঁ করেছিল, আর তা হচ্ছে মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও ভাতের অধিকারের জন্য কিন্তু বিএনপি তো তখন তত্বাবধায়ক সরকারের বিরোধিতা করেছিল।

বিএনপি নেত্রী তখন বলেছিলেন শিশু আর পাগল ছাড়া নিরপেক্ষ কেউ নন কিন্তু বিএনপি নেতারা এখন এ কথা কেন বলে না- প্রশ্ন করেন ওবায়দুল কাদের।

তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করেছে বিএনপি, এমন দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখন তাদের কেন এ পশ্চাদযাত্রা, আসলে বিএনপি ভবিষ্যৎমূখী নয়, তারা পশ্চাদমূখী। তিনি বলেন, অন্ধ বিরোধিতাই বিএনপির একমাত্র হাতিয়ার।  

বিএনপির টেকব্যাক মানে আবারও বিদ্যুৎবিহীন খাম্বা, তাদের টেকব্যাক মানে আবারও গ্রেনেড হামলার মতো ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের টেকব্যাক হচ্ছে আগুন, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির আস্ফালন।

বিএনপির টেকব্যাক মানে আবারও হাওয়া ভবন, খোয়াব ভবন, এমন জানিয়ে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ টেকব্যাকের নামে আর সেই অন্ধকারে ফিরে যাবে না।

 তাদের কথা বিএনপি নেতারা বিদ্যুৎ এবং রিজার্ভ নিয়ে কথা বলেন কোন মুখে ? তাদের কি বিন্দুমাত্র লাজ-শরম নেই? এতসব প্রশ্ন রেখে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, যারা দেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছিল, যাদের শাসনামলে দিনের পর দিন লোডশেডিং চলতো, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকতো না, তারা আজ বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলে কোন মুখে? 

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের স্মরণ করে দিয়ে বলেন, বিদ্যুতের নামে খাম্বা দিয়ে প্রতারণার কথা জনগণ এখনো ভুলে যায়নি, ভুলে যায়নি বিদ্যুতের দাবিতে মিছিলে গুলির কথা, হারিকেন-কুপি নিয়ে বিক্ষোভের কথা এবং বিদ্যুৎ ভবন ঘেরাও করার কথা।   




দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতার কোন ঘাটতি নেই, ঘাটতি হচ্ছে জ্বালানি সংকট নিয়ে আর এই সংকট শুধু বাংলাদেশে নয়, এ সংকট বিশ্বব্যাপী উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই সংকট আগে তো ছিল না। সরকার দেশে শতভাগ বিদ্যুৎ দিয়েছিল তবে জ্বালানির সংকট সমাধানে এখনো সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা রয়েছে।
বিএনপি নেতারা বিশ্ব পরিস্থিতি অনুধাবন না করে শুধু সরকারের অন্ধ সমালোচনায় ব্যস্ত। তারা রিজার্ভ নিয়ে কথা বলে- এ প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ৪ বিলিয়নের কিছু বেশি ছিল বিএনপির আমলে রিজার্ভের পরিমাণ। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ দেখেছে দেশবাসী। বর্তমানে যা প্রায় ৩৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার।

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আরও বলেন, তাদের সময়ে রেখে যাওয়া ৪ বিলিয়নের কিছু বেশি রিজার্ভের সাথে এখনকার রিজার্ভের সংখ্যাটা মিলিয়ে নিন। তারপর না হয় রিজার্ভ নিয়ে কথা বলুন।

এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এ ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলীয় নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে শেখ হাসিনা সরকার আছে এবং থাকবে।


Future Post

নিম ফুলের মধু ০৬-০১-২০২৪ তারিখ আজকের পর্ব

নিচের লিংকে পুরো ভিডিও টা দেখতে পারবেন   Download Now Watching Now Click Now Downlode Now